হবিগঞ্জ: কর্ম তো ফিরে আসেই– আজ না হোক কাল। এভাবে না হোক ওভাবে!
জুলাই জঙ্গী সারজিস আলমের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এবং সব জঙ্গীদের ক্ষেত্রে তাই হবে।
তাই বলে আমরা হামলাকারীদের পক্ষ মোটেও নিচ্ছি না। হামলা সবসময় খারাপ, সেটা যার ওপরেই হোক।
তবে যেটা কর্ম ওরা করেছে, তার ফল তো ভুগতেই হবে।
জানা গিয়েছে, হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়ি বহরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের অতর্কিত হামলা হয়।
এতে সাংবাদিক ও এনসিপি নেতাকর্মীরা আহত হন বলে জানা গেছে। সারজিসের সঙ্গীদের অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতে এই ন্যাক্কারজনক হামলা সংগঠিত হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম আহত হয়েছেন।
আজ যারা গণতন্ত্রের কথা বলে, ৫ আগস্ট এবং তার পরে ওরা কী করেছিলো?
নিজের বেলায় গণতন্ত্র, পরের বেলায় ষড়যন্ত্র!
সারজিস আলম বলেছিলেন, ৫ আগস্ট যখন কোটি কোটি ছাত্র-জনতা রাজপথে নামলো, সেদিন যদি শেখ হাসিনা পালিয়ে না যেতো বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষ শেখ হাসিনার এমন অবস্থা করতো, তার একটা হাড়ও খুঁজে পাওয়া যেতো না। একটা মাংসের টুকরাও খুঁজে পাওয়া যেতো না।
আরে বাপরে! জঙ্গীদের মুখের ভাষা শুনুন!
এখন করে মায়াকান্না!
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে জামাতের বি টিম দলটি।
মঙ্গলবার রাতে দলের জরুরি সাংগঠনিক নির্দেশনায় এ কথা বলা হয়েছে।
এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করা জরুরি সাংগঠনিক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হবিগঞ্জে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা কর্মসূচিতে মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে বিএনপির সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বুধবার সারা দেশে দলীয় প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, এনসিপির সব মহানগর, জেলা, উপজেলা ও থানা শাখাকে নিজ নিজ এলাকায় প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজনের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।
সংশ্লিষ্ট সব সাংগঠনিক ইউনিটকে কর্মসূচি সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং দলীয় নেতা–কর্মীদের যথাসময়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয় নির্দেশনায়।
