বগুড়া: জামাতের বি টিম এনসিপির নেতারা যে এখন জুতাপেটা খাচ্ছে তারপরেও নির্লজ্জভাবে বলে এনসিপি বিশাল বড় হবে। হতেও পারে কারণ দেশটা তো জামাতের ভরে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক আর কয়জন আছে?
যারা আছে তাদের মধ্যে একজন নারী হয়তো তিনি যিনি এনসিপি নেতাকে আচ্ছামতো জুতাপেটা করেছেন।
বগুড়ায় এক নারী প্রশিক্ষণার্থীর হাতে জুতাপেটা হওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতাকে দলের সব দায়িত্ব ও কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তাই বলে আবার ভাববেন না যেন, সাফাই টিম এটি। জামাত মানে জামাত। গতকালকেও জামাত, আজো, আগামি কালকেও।
জুতাপেটা খেয়ে তো ইনকিলাব জিন্দাবাদ বলা উচিৎ ছিলো ঐ ব্যাটার!
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায় এক নারী আলী আজম সাব্বিরকে জুতা দিয়ে মারছেন।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় ও প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, আলী আজম সাব্বির বগুড়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কোর্সের একজন প্রশিক্ষণার্থী।
তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন নারী প্রশিক্ষণার্থীর সঙ্গে অশালীন আচরণ করা, মোবাইল ফোনে আপত্তিকর বার্তা পাঠানো এবং অশ্লীল ভাষায় কথা বলার অভিযোগ ওঠে। নারীদের সাথে অশ্লীল আচরণ করতেন তিনি, একজন বিকৃতমনস্ক মানুষ যা করে তাই!
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ মে দুপুরে কয়েকজন নারী প্রশিক্ষণার্থী তাঁকে টিটিসির একটি কক্ষে আটকে রাখেন। পরে এক ভুক্তভোগী নারী প্রশিক্ষণার্থী তাঁকে জুতা দিয়ে মারেন। এ সময় আলী আজম সাব্বির নিজের ভুল স্বীকার করে তাঁদের কাছে ক্ষমা চান বলে জানা গেছে।
তাঁকে নাকি কারণ দর্শানোর নোটিশও পাঠানো হয়েছে।
এনসিপি বগুড়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত ইমরানের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে শুক্রবার রাতে তাকে দলের সব পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির বিষয়টি জানানো হয়।
আলী আজম সাব্বির এনসিপির শিবগঞ্জ উপজেলা সমন্বয় টিমের সমন্বয়কারী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
