ঢাকা: ১৭ মে, দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। প্রায় ছয় বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের এই দিনেই স্বদেশে ফিরে আসেন তিনি। ওই দিন সারা দেশ থেকে আসা লাখো মানুষ তাঁকে স্বাগত জানান, ভালোবাসায় সিক্ত হন বঙ্গবন্ধুকন্যা।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের বেশির ভাগ সদস্যকে হত্যা করা হয়।
শুধু দেশের বাইরে থাকার জন্য প্রাণে বেঁচে যান দুই বোন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। বিদেশে অবস্থান করার সময়ই ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে শেখ হাসিনা দলের সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপরই তিনি ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, বাংলাদেশের পাঁচবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রবিবার (১৭ মে, ২০২৬) বিকেল ৪:০০টায় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয় ভিয়েনার হেলওয়াগটাসে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম। সঞ্চালনা করেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহ কামাল।
আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি, অস্ট্রিয়া প্রবাসী মানবাধিকার কর্মী, লেখক, সাংবাদিক এম. নজরুল ইসলাম।
তিনি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।
এই আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন ও তার পরে তোলা দুর্লভ ছবি স্থান পায়।
অনুষ্ঠানে অনেকেই বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এম. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘রাজাকার-আলবদরের উত্তরসূরীরা একাত্তরের মতোই আবার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সংখ্যালঘুদের হত্যায় মেতে উঠেছে। দেশব্যাপী রক্তের হোলি খেলা শুরু করেছে। কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্র দীর্ঘস্থায়ী হয় না। একাত্তরে তারা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছে। এবার তারচেয়েও শোচনীয় পরাজয় হবে তাদের।’
তিনি বলেন, ‘জাতির চরম দুর্যোগের সময় ১৯৮১ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা যেভাবে ফিরে এসেছিলেন, একইভাবে তিনি আবার ফিরে আসবেন। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর এবারের প্রত্যাবর্তন হবে অনেক বেশি তেজোদীপ্ত, অনেক বেশি গৌরবময়। আমরা প্রত্যাশা করি, এবারের প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশ থেকে সব ষড়যন্ত্রের চিরসমাপ্তি ঘটবে।’
