নোয়াখালী: নোয়াখালী সদর উপজেলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বেশ বড়সড় মিছিল বের করেছেন।

এর আগে চট্টগ্রামে হয় মিছিল।‌তারপরেই শুরু হয় গণগ্রেফতার। প্রায় ৭০ জনকে ধরা হয় বিনা অপরাধে।

এবার নোয়াখালীতে মিছিলকারীদের বিপুল উপস্থিতি দেখে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা সুধারাম থানা পুলিশ সদস্যরা নাকি সেখান থেকে সরে যান, এমন অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) জুমার নামাজের পর সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধের হাট বাজারে এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বর্তমান সরকারের ‘সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির’ বিরুদ্ধে এবং আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থনে এই মিছিলের আয়োজন করা হয়।

জুমার নামাজ শেষ হওয়ার পর সদর উপজেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের এক হাজারেরও বেশি কর্মী-সমর্থক বাঁধের হাট বাজারে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিলের শুরুতে পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও নেতাকর্মীদের বিশাল জনস্রোতের মুখে তারা টিকতে পারেননি।

মিছিলে সভাপতিত্ব করেন নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু।

মিছিল পরবর্তী সমাবেশে তিনি বলেন, “আমরা এখানে যারা রাজপথে নেমেছি, তারা প্রত্যেকেই অন্যায় ও সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এসেছি। আমাদের এই প্রতিবাদী আন্দোলন ইনশাআল্লাহ অব্যাহত থাকবে। যতদিন পর্যন্ত শেখ হাসিনা ফিরে না আসবেন, ততদিন আমরা শান্ত হবো না। আমরা রাজপথ ছাড়বো না।”

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *