শরীয়তপুর: ২৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ৮০ তম শুভ জন্মদিন। এই বয়সেও সমানতালে যুদ্ধ করে চলেছেন দেশের মানুষের স্বার্থে।

চাইলেই শেখ হাসিনাকে গালাগাল করা যায়। কিন্তু দেশের জন্য শেখ হাসিনার করা উন্নয়নের জন্য তাঁর প্রশংসা করতেই হবে। তিনি যা করেছেন তা আরো ১০০ বছরেও কোনো সরকার করতে পারবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ আছে।

সেই উন্নয়নকে ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছে অনেক।

শেখ হাসিনার করা উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

পদ্মা সেতু, ঢাকা মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৃতীয় টার্মিনাল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিদ্যুৎ সংযোগ সম্প্রসারণ, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেললাইন, ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেন, গাজীপুর–এয়ারপোর্ট বিআরটি, বিভিন্ন ফ্লাইওভার ও সেতু, আশ্রয়ণ প্রকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশ, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ই-জিপি, হাইটেক পার্ক, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, শিক্ষা উপবৃত্তি ও বিনামূল্যে পাঠ্যবই ইত্যাদি….।

বাংলাদেশের মানুষকে তো কম দেননি তিনি। এখন এও জানিয়ে দিয়েছেন মৃত্যুর‌ খাঁড়া মাথায় নিয়েও তিনি দেশে ফিরবেন।

এদিকে, ডাকাত, খুনী, মবকারী, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙচুরকারী, আসল‌ হামলাকারীদের না ধরে শেখ হাসিনার জন্মদিনে কারা কেক কাটলো, দুটো গরীবের মুখে কেক তুলে দিলো- তাদের আটক করার জন্য রাস্তায় রাস্তায় টহল দিচ্ছে পুলিশ।

শরীয়তপুরের জাজিরায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার আয়োজনের খবর পায় পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গে হানা দেয় সেখানে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে জড়ো হওয়া ব্যক্তিরা সরে যান।শরিয়তপুরের জাজিরায় কেক কেটে নেত্রীর জন্মদিন পালন করছিলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

মানুষ না পেয়ে আস্ত কেক ও পাঁচটি মোটরসাইকেল জব্দ করে পুলিশ । শেখ হাসিনার জন্মদিনের কেক ভাগ করে খেয়ে ফেলবে আরকি!

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার গরম বাজার এলাকার জোড়াব্রিজ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ বলেন, ‘‘কেক কাটার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সেখানে থাকা ব্যক্তিরা পালিয়ে যান। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।’’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *