ঢাকা: জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশে আসবেন শুনে আরেকটা বিপ্লবের স্বপ্ন দেখছে
রাজাকার জামাত। নাহলে হঠাৎ বিপ্লবের কী এমন ঘটলো দেশে? বিরোধী দলে আছে, সংসদে ভাষণ দিতে পারছে পাকিস্তানের শাবকরা, এর চাইতে বেশি আর কী লাগে? কিন্তু দেশে হিংসা না ছড়ালে জামাত থাকে কী করে?
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এ জন্য সবাইকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সেই ভয়াবহ ৫ আগষ্ট, তথা জঙ্গী জামাত উত্থান দিবসের দিনই রক্তে বিপ্লব জেগেছে তাঁর।
২০২৪ সালের এইদিনে জঙ্গী জামাতদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হোন প্রায় সাড়ে তিনহাজার পুলিশ সহ হাজার হাজার নিরীহ মানুষ।
আমেরিকার অর্থায়নে পাকিস্তানের মদদে তাদের দালাল ইউনুস গংদের ষড়যন্ত্রে ম্যাটিকুলাস ডিজাইন করে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাত করে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে ভারতে বিতাড়িত করে।
এক মুহূর্তে ছারখার হয়ে যায় সব। মনে হয় সাজানো বাগানটায় ছাগল ঢুকে গাছগুলো মুড়িয়ে খেলে যেমন লাগে তেমন!
আওয়ামী লীগের শত শত নিরীহ নেতা- কর্মীদের বাড়িঘর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর, লুটপাট, আহত ও নিহত করে অনেকেই প্রাণে বাঁচতে দেশ ত্যাগ করেন।
এবং প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় বাসভবন “গণভবন” লুটপাট করে, চুরি ডাকাতি করে।
৫ই আগষ্ট একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত আলবদর, রাজাকার, আলশামস ও তাদের দোসরদের উত্থান ঘটে।
দেশকে পুরোপুরি পাকিস্তান বানানোর বিপ্লবের কথাই তিনি বলেছেন। নির্লজ্জ, বেহায়া সাদা শকুন।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাদা শকুন এই আহ্বান জানান।
শফিকুর রহমান বলেন, বিপ্লব কোনো বয়সের সীমা মানে না। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে শিশু থেকে বৃদ্ধ—সব বয়সী মানুষ রাজপথে নেমেছিলেন। ভবিষ্যতেও সবাই তরুণের মতো উদ্যম নিয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিজয় ছিনিয়ে আনবে।
