ঢাকা: শান্তা ফারজানাকে বলা যায় একদম টার্গেট করে নিয়েছিলো সন্ত্রাসী আয়াস। তাঁর উপর আগেও আক্রমণ করেছে আয়াস। তারপরেও তারেকের পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

ফারজানা শান্তাকে হামলা করে রক্তাক্ত করেছে জুলাই জঙ্গি আয়াস অথচ উল্টো তাঁকেই গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছে তারেকের পুলিশ বাহিনী।

দুইদিন আগেও ফারজানা শান্তাকে প্রকাশ্যে চড় থাপ্পর মেরেছিলো, তাঁর উপর হামলা করেছিলো তার বাসায়, তখন রাষ্ট্র তার কোনো বিচার করেনি কিন্তু যখন জুলাই জঙ্গির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেন ফারজানা, তখনই গ্রেফতার।

বাহ এই রাষ্ট্র নতুন নতুন আইনের শাসন শেখাচ্ছে এখন। নারীর উপর হামলাকারীকে ফুল দিয়ে বরণ করছে রাষ্ট্র।

একাত্তরের পরাজিত শক্তিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য এত আয়োজন?

রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অভিযোগে নতুন ধারা বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি শান্তা ফারজানাসহ ছয়জনকে আসামি করে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) মধ্যরাতে শাহবাগ থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা জিয়াউল হক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে বাবুল সরদার নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় শান্ত ফারজানাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক ঘণ্টার বেশি সময় অবস্থানকালে নতুন ধারা বাংলাদেশের ছয়জনকে হেফাজতে নিয়েছে শাহবাগ থানা পুলিশ। রাতে  তাদের কড়া পাহারায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে বের করে পুলিশের গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয়।

পুলিশ হেফাজতে নেওয়া নতুন ধারা বাংলাদেশের ছয় নেতাকর্মী হলেন-নতুন ধারা বাংলাদেশের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, ভাইস চেয়ারম্যান ড. নুরজাহান নীরা যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আতাপ মণ্ডল ও হরিদাস সরকার।

এই ঘটনায় আরো ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে দেশবাসী।

জুলাই বিরোধী শান্তা ফারজানার উপর প্রথমে অতর্কিত হামলা করে সমকামী শিবির, এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এভাবে আগেও মার খেয়েছেন তিনি। তখন পুলিশ আসেনি।

কিন্তু আহত বাঘিনী শান্তা ফারজানা ঘুরে দাঁড়ান। এবং আচ্ছামতো ধোলাই দেন আয়াসকে।

প্রকাশ্য দিবালোকে শান্তা ফারজানাকে সন্ত্রাসী জুলাই যোদ্ধা আয়াস আঘাত করতে আসলে -আমজনতা ধাওয়া করে আয়াসকে ধরে, প্রায় ১২ মিনিট গণধোলাই দেয়।এক পর্যায় আয়াস সেন্স হারিয়ে ফেলেন।

নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মেহেদি মোমিন অভিযোগ করেন, গত ১ আগস্ট শান্তা ফারজানার ওপর হামলার প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলছিল।

এসময় আ ন ম আয়াসের নেতৃত্বে একদল লোক এসে তাদের ওপর হামলা চালায়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন সাংবাদিকের মোবাইল ফোনও নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে শান্তা ফারজানাসহ তাদের দলের বেশ কয়েকজন নেতা আহত হন।

অথচ প্রশাসন হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করে, উল্টো ভিকটিমদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে গিয়েছে।

সুতরাং একটা বিষয় স্পষ্ট, আইনের শাসন বলতে এই দেশে কিছুই নাই। যদি থাকতো তাহলে প্রথম দিনেই এর প্রতিকার হতো, বিষয়টা এতদূর পর্যন্ত গড়াতো না।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *