চট্টগ্রাম: শেখ হাসিনা ফ্লাইওভার করেছেন চলাচলের জন্য, সেই ফ্লাইওভারে ছাত্রলীগের লাশ ঝুলিয়ে দিয়েছে মেরে!
স্বাধীনতা এখন লাশ হয়ে ফ্লাইওভার থেকে ঝুলে থাকে!
ঘটনা চট্টগ্রাম মহানগরীর সাগরিকা ফ্লাইওভারে। সেখানে ঝুলন্ত অবস্থায় কাউসার আহমেদ নামে এক ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে নগরীর বিএসআরএম ডিপো সংলগ্ন ফ্লাইওভার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন পাহাড়তলী থানার ওসি নুরুল আবছার।
মঙ্গলবার পোস্টমর্টেম শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় নগরের পাহাড়তলী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
অপমৃত্যু!? আর কত অপমৃত্যু!? হত্যাকে যদি অপমৃত্যু বলা হয় তাহলে এই পরিবারগুলো কী করবে?
ভুক্তভোগীর পরিবার ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কাউসারকে খুন করে ফ্লাইওভারে লাশ ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
কাউসার আহমেদ আকবর শাহ থানা ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক। স্থানীয়দের দাবি, ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ছাত্রলীগ নেতা তালুকদার পারভেজ আনসারী বলেন, বিএনপি জামায়াত সন্ত্রাসীরা ছাত্রলীগ করার অপরাধে তাঁকে অপহরণ করে খুন করে লাশ ফ্লাইওভারে ঝুলিয়ে রাখে।
দেখা যায়, ফ্লাইওভার থেকে রশিতে ঝুলছিলো কায়সারের মৃতদেহ।
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ষড়যন্ত্র করে, চলছে গণহত্যা। শত শত দলীয় কর্মী খুন, হত্যাকাণ্ড চলছে, বিচার নেই, লক্ষ লক্ষ মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীসহ চরমপন্থী শক্তির একটি চক্র শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিশ্বাসের কারণে নাগরিকদের ওপর নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে।
এই বর্বরতাগুলো আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর সঙ্গে যুক্ত নাগরিকদের বিরুদ্ধে প্রায় দুই বছর ধরে চলমান রয়েছে।
রাষ্ট্র হত্যাকারীদের দায়মুক্তি দিয়েছে এবং বৈশ্বিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো তাদের নীরবতার মাধ্যমে এই অপরাধে সহযোগিতা করে চলেছে।
৬০০ জনেরও বেশি কর্মী ও নেতাকে নির্যাতন করে হত্যা এবং তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে, হাজার হাজার মানুষের কোনো খোঁজ এখনো পাওয়া যায়নি।
