ঢাকা: চরম কট্টরপন্থী, দেশদ্রোহী(যদিও উপরে উপরে এরা খুব দেশ ভক্ত) ওসমান হাদির বীরত্ব গাথা নাকি বাংলা সাহিত্যে যুক্ত হচ্ছে!
তিনি বীরত্বের কাজটা কী করলেন? যিনি নারীদের গোপনাঙ্গ নিয়ে অশ্লীল গালিগালাজ করেন, সেটাকে প্রচার করেন মাইকে তিনি বীর এই দেশে? অবশ্য হবে নাই বা কেন? এর বেশি তো আর কিছু হবার নেই এই দেশে ৫ আগস্টের পর।
ছিঃ! সত্যিই ভাবতে ঘৃণাবোধ হয় যে বাংলাদেশটাকে কী বানিয়ে ফেলেছে পাকিস্তানপন্থী রাজাকারের দল!
ছোট ছোট বাচ্চাদের মাথায় এখন অশ্লীল গালিগালাজ ঢোকানো হবে হাদির মাধ্যমে। ইনজেক্ট করা যাকে বলে। ভাইরাস ঢুকাবে সরকার, পেছনে জামায়াত। কারণ হাদি তো জামাতের প্রোডাক্ট ছিলো।
শা**** হাদী কোথায় যুদ্ধ করে বীর হলো? শাওয়া হাদী মেয়েদের যৌনাঙ্গ ছিঁড়ে ফেলার কথা বলছেন, একটি প্রজন্মকে অশ্লীল বাক্য শিখিয়েছেন তার কর্ম তার সমস্ত কিছুই ছিল অশ্লীলতা ,যে পরকীয়া করে ঝুমা নামের মেয়েটিকে ব্যবহার করেছেন, তার কোন ইতিহাস আছে বাংলাদেশে? তার কোন পার্টিসিপেশন আছে? কিচ্ছু নেই। এই দেশের জন্য কোন কাজটা তিনি করেছেন?
আজকে যারা বঙ্গবন্ধু তথা একাত্তর সালের বীর সেনানিদের ইতিহাস মুছে ২৪ এর সন্ত্রাসীদের ইতিহাস সংযুক্ত করা হচ্ছে, মিথ্যা নির্ভর ইতিহাস প্রজন্মকে শিখিয়ে ৭১ কে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন, তারা কারা? ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তিই তো।
জানা গিয়েছে, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য পাঠ্যবইয়ে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নতুন একটি প্রবন্ধ অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এবং একইসঙ্গে ২০২৮ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে শরীফ ওসমান বিন হাদীর গাঁথাও তুলে ধরা হবে।
বুধবার (১০ জুন) জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জনসংক্রান্ত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে শিক্ষা সচিবের পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ‘একটি জাতির জন্ম’ এবং ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ শীর্ষক দুটি প্রবন্ধের আলোকে নতুন পাঠ প্রস্তুত করা হবে।
আর হাদীকে পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
