ভোলা: বিএনপির শত বাধা,ভয়ভীতি, হুমকি, পুলিশের লাঠিচার্জ করার পরেও তোফায়েল আহমেদের জানাজা ভোলা সরকারি স্কুল মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।
কিন্তু বিএনপির এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ইতিহাসে থেকে যাবে। বিএনপির এই ভয় কেন?
সকল বাধা ও প্রতিকূলতা উপেক্ষা করেই
৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের নায়ক, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ -এর জানাজা ভোলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো একনজর দেখতে মানুষের ঢল নেমেছিল। রাজনৈতিক মত ও পথের ভিন্নতা ভুলে সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত হয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা নিবেদন করেছেন।
তোফায়েল আহমেদ চলে গেলেও মানুষের স্মৃতিতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এবং সংগ্রামের প্রেরণায় চিরকাল বেঁচে থাকবেন।
প্রসঙ্গত, ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের জানাজার আয়োজন ঘিরে উত্তেজনা দেখা দেয়। জানাজা ওই মাঠে না দিতে ছাত্রদল-যুবদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করে। তারা যে দিনে দিনে শক্তিহীন হচ্ছে এটা তার প্রমাণ।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নির্লজ্জভাবে এই বিক্ষোভ মিছিল করেন।
প্রায় আধাঘণ্টা ধরে জানাজার মাঠে দাঁড়িয়ে জানাজা না হতে দেওয়ার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। পরে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. রাইসুল আলমসহ বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যস্থতায় মিছিলকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করে বলেন, ২০২২ সালে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নুরে আলমকে পুলিশ গুলি চালিয়ে হত্যা করে।
সে সময় তোফায়েল আহমেদ নুরে আলমের জানাজা এই সরকারি স্কুল মাঠে হতে দেয়নি। এ ছাড়া তোফায়েল আহমেদ জীবদ্দশায় শহীদ জিয়াউর রহমানকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেছেন। তাই তোফায়েল আহমেদের জানাজা তারা এই মাঠে দেখতে চান না।
বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ জাতীয় বীর তোফায়েল আহমেদের জানাজা জাতীয় সংসদ, শহীদ মিনারে তো নয়-ই।ভোলায়ও জানাজা হতে দেবে না বিএনপি,যুবদল,ছাত্রদল! তবে ভোলাবাসী দেখিয়ে দিয়েছে।
জানাযার স্থান দখল করে বিক্ষোভ করেছে ওরা, দল ও প্রশাসন দিয়েও সর্বোচ্চ বাধা প্রয়োগ করেও জনস্রোত দাবায়া রাখতে পারে নাই।
বিএনপি আবার নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের দল হিসাবে দাবি করে। অথচ তাদের কাজকর্ম মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী।
ভোলার কৃতি সন্তান বাংলাদেশের তোফায়েল আহমেদকে ভোলাবাসী যথাযোগ্য মর্যাদা দিয়েছে।
