ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম একজন দক্ষ সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ প্রয়াত হয়েছেন।

বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশ থেকে একটা উজ্জ্বল নক্ষত্র ঝরে গেলো। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদ আর কেউ হতে পারবে না।

আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

প্রবীন এই রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইজডসহ নানান শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

শারীরিক গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

আর সেই দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে এই বিষয়ে সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা দেন।

মৃত্যুকালে তিনি এক মেয়েসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ
তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন।

৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রেখে দেশজুড়ে পরিচিতি পান তিনি।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এবং একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *