ঢাকা: এরা জলজ্যান্ত মানুষকে মেরে ফেলে মৃত মানুষ বানিয়ে দেয়! মৃত দেখিয়ে লাখ লাখ মামলা করেছে। আর বলেছে এইসবের দায় শেখ হাসিনার, আওয়ামী লীগের।

আবার সেই মানুষগুলোই মাঝেমধ্যে এসে নিশ্চিত করেন তিনি বেঁচে আছেন! আজ পর্যন্ত কত মানুষ যে কবর থেকে উঠে এসেছেন তার সঠিক হিসাব নেই! জুলাই ব্যবসার আসল খবর বেরিয়ে এসেছে।

এবার তো খোদ সাংবাদিক এসে বললেন আমি মরি নাই! কাদম্বরীর ঘটনা।

জুলাইয়ের ঘটনায় শহীদ হিসেবে উপস্থাপিত একজন সাংবাদিক নিজেই জানালেন, “আমি মরি নাই!”

জীবিত একজন সাংবাদিককে ২০২৪ সালের ৪ জুলাই হবিগঞ্জে ‘শহীদ’ হিসেবে দেখানোর এই ঘটনায় জুলাইয়ের শহীদদের তথ্য ও পরিচয় যাচাই নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে শেখ হাসিনাও প্রশ্ন তুলেছেন। এবং পুলিশও এরকম বহু অসঙ্গতি পেয়েছে। কখনো কখনো বাদীই খুঁজে পায়নি।

সোমবার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘সাংবাদিকের চোখে জুলাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ঘটনাটি ঘটে।

লেখক ও সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেল সোমবার (১৭ আগস্ট) নিজের এক দীর্ঘ বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকার হোটেল ওয়েস্টিনে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর একটি প্রেজেন্টেশনে তাঁকে ২০২৪ সালের ৪ জুলাই হবিগঞ্জে ‘শহীদ’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, প্রেজেন্টেশনে উল্লেখ করা হয়েছে সাংবাদিক সোহেল আকাঞ্জির নাম, অথচ সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে মিজানুর রহমান সোহেলের ছবি।

ঘটনাটি জানার পর থেকেই পরিচিত, সহকর্মী ও সাংবাদিকদের কাছ থেকে একের পর এক ফোন পেতে থাকেন সোহেল। অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে জানতে চান, “আপনি কি বেঁচে আছেন?” তিনি কী করবেন বুঝতে পারছিলেন না।

সোহেলের প্রশ্ন, একজন মানুষ জীবিত থাকা অবস্থায় তাকে মৃত বা শহীদ হিসেবে উপস্থাপন করার মতো ঘটনা কীভাবে একটি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানের প্রেজেন্টেশনে জায়গা পেল?

অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছিলো ডেমোক্রেটিক জার্নালিস্ট এলায়েন্স (ডিজেএ)। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ পেটমোটা মো. নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, বিষয়টি কি অনাকাঙ্ক্ষিত নাকি পরিকল্পিত, সেটিও ভাবার বিষয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *