ঢাকা: সাকিব আল হাসান আওয়ামীলীগকে আদর্শিক ভাবে ধারণ করেন। এত মামলা, অপমানের পরেও কিন্তু তিনি এক পা এদিক ওদিক করেননি।

বিশেষ করে ৫ আগষ্টের পর থেকে সাকিব আল হাসান আরো বুঝিয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগকে তিনি বুকের মাঝখানে রাখেন।

সাকিব যেমনটা বাংলাদেশের সম্পদ,তেমনি ভাবে আওয়ামীলীগের জন্য বিশাল এক সম্পদ।

শেখ হাসিনা রত্ন চিনতে ভুল করেননি! কিন্তু শেখ হাসিনার সাথে কিছু গুপ্ত বাহিনী আর মুনাফেক ঢুকে যেমন দলের বদনাম আর ক্ষতি করেছে! তেমনি ভাবে দেশ আর জনগণেরও ক্ষতি করেছে!

আসলে এরা আওয়ামীলীগ ছিলোনা এরা গুপ্ত বাহিনীর সদস্য ছিলো, আওয়ামীলীগ সেজে অপকর্ম সব করছে আওয়ামীলীগ-কে ধ্বংস করার জন্য!

যোগ্য নেতা যোগ্য মানুষই চেনে। সাকিব আল হাসান প্রমাণ করলেন তিনি শুধু মাঠের হিরো নন, আদর্শের জায়গাতেও তিনি আপসহীন।

নিষিদ্ধের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, আওয়ামী লীগ জনগণের হৃদয়ে ছিল এবং থাকবে।

আওয়ামী লীগের সময় মনে হতো দেশের ১৮ কোটি মানুষই আওয়ামী লীগ করে! শেখ হাসিনার পতনের পর তাদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগকে আর চেনে না।

এই যে সাকিব আল হাসান বলেছেন, তিনি আওয়ামী লীগ ছাড়বেন না। দেশে আসতে চান, মামলা লড়তে চান। তবে সবার আগে তাঁর প্রয়োজন নিরাপত্তা। আওয়ামী লীগের এই দুঃসময়ে সাকিব হিম্মত নিয়ে বলছেন, তিনি আওয়ামী লীগ ছাড়বেন না। এরাই আওয়ামী লীগকে প্রকৃতভাবে ধারণ করেন।

আওয়ামী লীগের টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

চব্বিশের জঙ্গী অভ্যুত্থানের পর থেকে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। তবুও আওয়ামী লীগেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সাকিব। দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

এক সংবাদ মাধ্যমের সাক্ষাৎকারে তিনি এই কথা বলেছেন। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ আওয়ামী লীগের প্রতিই নিবেদিত কি না- এমন প্রশ্নে সাকিবের সাফ উত্তর, “সেটাই তো হওয়ার কথা (আওয়ামী লীগে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ), তাই না? আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই, ইচ্ছা নেই এবং কোনো কালেও ছিল না। আমি এই জিনিস কখনও করিনি। ঠিক আছে? আমি যদি একটা ছোট দলেও কোনো দিন নাম লিখিয়েছি তো ওই দলের প্রতি সবসময় অনুগত ছিলাম। পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই।”

বর্তমানে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলেও তা আজীবন থাকবে না বলেই জানান সাকিব।
তিনি বরাবর পজিটিভ এবং আশাবাদী।

তিনি বলেন, “এখন নিষিদ্ধ, তাই বলে আজীবন নিষিদ্ধ থাকবে নাকি? আজীবন কি কেউ কাউকে নিষিদ্ধ করে রাখতে পারে! এটা তো মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। দেশের একটা বড় অংশকে তো দাবিয়ে রাখতে পারবেন না। হ্যাঁ, জোর করে কিছুদিন সম্ভব আটকে রাখা বা যতদিন সম্ভব দমিয়ে রাখতে পারেন। কিন্তু এটাতে আসলে দেশের কোনো উন্নতি বা রাজনীতির ভালো আছে বলে আমার মনে হয় না।”

একটা সময় আওয়ামী লীগও বিরোধী দলকে দমন করার চেষ্টা করেছে। এ প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, “এই ভুলটা যদি আমরা করে থাকি, ১০-১৫-২০ বছর আগের রাজনীতির সেই সময়ে দলের ভাবনা তো আমি জানি না, কিন্তু আমরা যদি এরকম ভুল করে থাকি, সেই ভুলেরও তো তাহলে এখন পুনরাবৃত্তি হচ্ছে! পরে যদি আবার অন্য কোনো দল ক্ষমতায় আসে বা আমরা আসি এবং পুনরাবৃত্তি করি, তাহলে এই খেলা তো চলতেই থাকবে। কাউকে না কাউকে এগুলো শেষ করতে হবে।”

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *