ঢাকা: এত বৃদ্ধ বয়সে তো আল্লাহর নাম করা উচিৎ, নাহ তিনি তা করবেন না। কারণ তাঁর ক্ষমতার লোভ এখনো যায়নি।
অন্তর্বর্তী সরকারের অবৈধ প্রধান উপদেষ্টা বিশ্ব বাটপার, জঙ্গী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে গত কয়েক মাস ধরেই একটি আলোচনা রাজনৈতিক এবং সামাজিক পরিসরে বেশ জোরালো ছিল—তিনি নাকি জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন।
এই নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়েছে। ফেসবুকেও যথেষ্ট চর্চা হচ্ছে।
জানা গেছে, জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩১ ডিসেম্বর। ইতিমধ্যে সংস্থাটির পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে।
তবে জাতিসংঘ মহাসচিব নিয়োগের চলমান প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্রের তথ্য পর্যালোচনা করলে আলাদা চিত্র দেখতে পাওয়া যায়।
গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন মহাসচিব নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ পর্যন্ত সম্ভাব্য যেসব নাম আন্তর্জাতিক মহলে আলোচিত হয়েছে, সেখানে বিশ্ববাটপার খ্যাত ড. ইউনূসের নাম দেখা যায়নি। এমনটাই জানা গিয়েছে।
আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সির মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি, চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল ব্যাচেলেট, সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল এবং ইউএনসিটিএডির মহাসচিব রেবেকা গ্রিনস্প্যান।
জাতিসংঘ মহাসচিব নির্বাচনের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক ভোটাভুটির চেয়ে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের ঐকমত্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে যেকোনো একটি দেশ ভেটো দিলে কোনো প্রার্থীর পক্ষে মহাসচিব হওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়।
জঙ্গী ইউনূসকে ঘিরে যে উচ্চ প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, সেটা শেষ পর্যন্ত বাস্তব রূপ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ইউনুস যদি মহাসচিব পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেন তাহলে চীন ও রাশিয়া কিংবা এই দুই দেশের একটি ইউনুসের বিষয়ে ভেটো দিতো।
