ঢাকা: ক্ষমতায় নেই ঠিকই, আসলে ক্ষমতার দৃশ্যপটে নেই। কিন্তু তিনি আছেন সবজায়গায়। না থেকেও আছেন।
ঠিক উড়াল দিয়ে ফ্রান্সে চলে গেলেন সুদী ইউনূস। কেউ কিচ্ছু করতে পারলো না। শিশু হত্যাকারী, দেশ ধ্বংসকারী ইউনূস চলে গেছেন সরকারের চোখের সামনে ভিভিআইপি নিরাপত্তা নিয়ে।
ক্ষমতার দৃশ্যপট থেকে তথা সাময়িকভাবে দূরে থাকলেও নোবেলজয়ী, আমেরিকার পুতুল ড. মুহাম্মদ ইউনূস যে হাত গুটিয়ে বসে নেই, তা এখন ক্রমশ স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।
মে ২০২৬-এর এই সময়ে আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক অলিন্দে এক নতুন এবং মারাত্মক ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে, বর্তমান বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক কাঠামোকে উপড়ে ফেলে নিজের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষমতার পূর্ণদখল নিশ্চিত করতে ইউনূস ইউরোপের মাটিতে বসে এক ভয়ঙ্কর মাস্টারপ্ল্যান বা ব্লুপ্রিন্ট রচনা করছেন। এবং ইউনূসের পক্ষে সম্ভব।
আমেরিকার কল কাঠিতে চলেন তিনি। এবার পারেননি, গদি থেকে নামতে হয়েছে। তবে চেষ্টা কি তিনি ছেড়ে দিয়েছেন? নাহ!
সম্প্রতি একটি ডিজিটাল সংবাদ মাধ্যমের নিয়মিত টকশোতে যুক্ত হয়ে এই বিষয়ে চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করেছেন প্রখ্যাত আন্তর্জাতিক অপরাধ বিশ্লেষক, ব্লিটজ (Blitz) পত্রিকার সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক সালাহ্ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী।
তাঁর অনুসন্ধান অনুযায়ী, এই ষড়যন্ত্রের ডালপালা কেবল বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর সাথে যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক স্তরের কুখ্যাত ভাড়াটে খুনি ও আন্ডারগ্রাউন্ড সামরিক নেটওয়ার্ক।
এই মিশন যদি সফল হয়, তবে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপির অস্তিত্ব চরম সংকটে পড়বে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সাংবাদিক সালাহ্ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী , গত ২৮ মে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ড. ইউনূসের উদ্যোগে একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও খুব গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সম্পূর্ণ সুরক্ষিত একটি স্থানে আয়োজিত এই বৈঠকে সর্বমোট ২০ জন বিশেষ ব্যক্তি অংশ নেন।
এই ২০ জনের তালিকায় সবচেয়ে আলোচিত নাম ছিল ফ্রান্স প্রবাসী বিতর্কিত ও সাইবার অ্যাক্টিভিস্ট ইউটিউবার পিনাকি ভট্টাচার্য।
পিনাকি ভট্টাচার্যকে নিশ্চয়ই আর চিনিয়ে দিতে হবে না।
জানা গেছে, ফিজিক্যাল তথা সামনাসামনি বৈঠকের পাশাপাশি ইউনূস চতুরতার সাথে এনক্রিপ্টেড ডিজিটাল চ্যানেল ব্যবহার করে বাংলাদেশের কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত সামরিক কর্মকর্তার সাথে ভার্চুয়াল বৈঠক সম্পন্ন করেছেন।
অর্থাৎ দেশের পরিবেশকে উত্তেজিত করার চেষ্টা তথা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে।
ওয়াগনার গ্রুপ মূলত আফ্রিকান ও ইউরোপীয় যুদ্ধক্ষেত্রে টাকার বিনিময়ে যেকোনো নৃশংস অভিযান চালাতে অভ্যস্ত।
এদিকে, আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি (IRA) শহুরে গেরিলা যুদ্ধ, রিমোট নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের টার্গেট কিলিং বা গুপ্তহত্যার জন্য কুখ্যাত।
ইউনূস কোনদিকে আগ বাড়ছেন?
এদিকে, গোলাম মাওলা রনি লিখেছেন, ‘একটা মানুষরূপী প্রাণী যে কতটা নির্লজ্জ, বেহায়া এবং বেপরোয়া হতে পারে তা আমেরিকার পুতুলটিকে না দেখলে আন্দাজ করতে পারতাম না।’
