ঢাকা: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিন ছিলো ১৭ সেপ্টেম্বর। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে ভারতজুড়ে প্রদীপ, বাতি জ্বালানো হয়। দেশের জনসাধারণের দোয়া, আশীর্বাদে পালন হয় মোদির জন্মদিন।
শুভেচ্ছা জানালেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নয়াদিল্লি ও মস্কোর মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে ওঠায় মোদিকে কৃতিত্ব দিলেন তিনি।
গত সপ্তাহে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের সময় রুশ প্রতিনিধিদলকে যে আন্তরিক আতিথেয়তা প্রদান করা হয়েছে, তার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তাঁর ৭৬ তম জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সৌজন্য প্রকাশ করেন তিনি।
বাংলাদেশ সময় রাত ১১’টা নাগাদ, ফেসবুক ও এক্সে এক পোস্টে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
উল্লেখ করা জরুরি, প্রধানমন্ত্রী মোদীকে দেশ-বিদেশের বহু নেতা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এবং দিন শেষ হওয়ার মুখে সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম।
এই বিষয়টি নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।
কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল থেকে এই ব্যাপারে দুটি ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে। একটি হল, ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানানোর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকেরা তারেক রহমানের নজরে আনেন অফিস শেষ হওয়ার পর।
দ্বিতীয় কারণ হিসেবে জানা যাচ্ছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী কে তারেক রহমান জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাবেন কিনা, জানালে দেশে এর প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে এসব বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়েছে।
শুভেচ্ছা বার্তায় তারেক রহমান লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে জন্মদিনের উষ্ণ শুভেচ্ছা। আপনার এই বিশেষ দিনের অনেক অনেক শুভকামনা।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘ভারতের জনগণের সেবায় নরেন্দ্র মোদীর নিবেদিত প্রয়াস সর্বদা সুস্বাস্থ্য ও উচ্চ মনোবল সহযোগে অব্যাহত থাকবে।’
যাই হোক, তারেক রহমানের শুভেচ্ছার জন্য তো ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অপেক্ষা করে ছিলেন না। তিনি না জানালেও পারতেন। কারণ এই দেশটার সৌজন্য, ভদ্রতা বলে এখন আর কিছু আছে নাকি? তারেক রহমান তো ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে আছেন। দেশ চালাচ্ছে জামাত শিবির। ওদের কথায় চলেন তারেক রহমান। তাই জন্যে তো ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিলেন না!
