ঢাকা: ভারতের মহাকাশ ইতিহাসে যুক্ত হলো নতুন অধ্যায়। ভারতের থেকে অবশ্যই শেখার আছে বাংলাদেশের। কিন্তু আমরা তো অনেক বেশি জানি, তাই শিখি না।
উল্লেখযোগ্য যে, ভারতের প্রথম বেসরকারিভাবে নির্মিত কক্ষপথ-শ্রেণির রকেট, বিক্রম-১, শনিবার শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপিত হয়েছে।
এটি দেশের বেসরকারি মহাকাশ খাত এবং এর বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণের উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য একটি বড় মাইলফলক।

এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পর ভারত বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে বেসরকারি খাতের মাধ্যমে সফলভাবে অরবিটাল রকেট উৎক্ষেপণের কৃতিত্ব অর্জন করল।
শনিবার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা রকেটটি সফলভাবে নিম্ন পৃথিবী কক্ষপথে একাধিক পেলোড স্থাপন করে।
এর মাধ্যমে সরকারি সংস্থা ইসরোর বাইরে ভারতের বেসরকারি খাতও মহাকাশে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিলো!
আর আমরা বাঙালিরা ব্যস্ত জুলাই চেতনা নিয়ে, ভারত বিরোধিতা নিয়ে।
যে ভারত একসময় উন্নয়নশীল দেশের কাতারে ছিল, সেই ভারত আজ মহাকাশ অর্থনীতির বৈশ্বিক বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিতর্ক যেন কখনোই শেষ হয় না।
এই সাফল্য শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতির প্রতীক নয়, বরং দেশের তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তি, সাহস এবং আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্নের এক উজ্জ্বল উদাহরণ।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সমগ্র Skyroot Aerospace এর দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
স্কাইরুটের প্রতিষ্ঠাতা পবন কুমার চন্দনা এবং নাগ ভরত ডাকা- ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানী, ইসরোর চেয়ারম্যান ভি নারায়ণনের সঙ্গে মিশন কন্ট্রোল সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণটি প্রত্যক্ষ করেন।
ইসরোর প্রাক্তন প্রধান, মহাকাশচারী শুভংশু শুক্লা এবং অন্ধ্রপ্রদেশের মন্ত্রী নর লোকেশও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
স্কাইরুট এরোস্পেস এক্স-এ লিখেছে, “কক্ষপথে প্রবেশ। বিক্রম-১ টেস্ট ফ্লাইট-১ কক্ষপথে পৌঁছেছে। ভারতের প্রথম বেসরকারিভাবে তৈরি অরবিটাল রকেটটি তার শেষ দহন সম্পন্ন করেছে এবং এর পেলোডগুলোকে প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার কক্ষপথে স্থাপন করেছে, যার ফলে ভারত বেসরকারি অরবিটাল উৎক্ষেপণ ক্ষমতাসম্পন্ন বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। ইতিহাস রচিত হলো।”
