ঢাকা: বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে মন্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার।
বুধবার ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (জননিরাপত্তা বিভাগ) এক অফিস স্মারকে বলা হয়েছে, এই মর্যাদা শুধু আনুষ্ঠানিক বা প্রটোকল-সংশ্লিষ্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
জানা গিয়েছে, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে সরকারি প্রটোকল তালিকা বা ‘টেবিল অব প্রিসিডেন্স’-এ এই পূর্ণমন্ত্রীর সমতুল্য মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
ওই নির্দেশিকা মূলত রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান এবং প্রটোকল-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতার ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। এটি সম্পূর্ণ ভাবে দীনেশের ব্যক্তিগত পদমর্যাদা হিসেবে বিবেচিত হবে।
এর জন্য ভারতের মূল ‘টেবিল অব প্রিসিডেন্স’ অর্থাৎ স্থায়ী প্রটোকল তালিকায় কোনও সাধারণ সংশোধন বা পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।
আর এটি কিন্তু অত্যন্ত বিরল ঘটনা। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এক জন হাই কমিশনারকে পূর্ণমন্ত্রীর সমতূল্য মর্যাদা দেওয়া খুব বিরল ঘটনা।
এর ফলে মনে করা হচ্ছে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক স্তরের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও দৃঢ় হবে।
দীনেশ ত্রিবেদীকে মোদির সরকার নির্বাচন করার যথেষ্ট সূক্ষ্ম কারণ আছে। দীনেশ ত্রিবেদীর হাত ধরে ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো মসৃণ হবে মনে করা হচ্ছে।
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিলো শেখ হাসিনার পতনের পর জঙ্গী ইউনূসের সময়কালে, তা ঘোচানোর জন্য পোড় খাওয়া এই রাজনীতিবিদকে রাষ্ট্রদূত করে বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
দীনেশ ত্রিবেদী খুব ভালো বাংলা বলতে পারেন এবং দুই বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কেও ভালো ধারণা রাখেন। সেতারবাদক হিসেবেও বিশেষ তাঁর পরিচিতি রয়েছে।
আর ইতিমধ্যে আমাদের দেশ জেনেছে তিনি বাংলা ও বাঙালির সম্পর্কে কতটা ভালো জ্ঞান রাখেন।
