ঢাকা: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সদ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়েছে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের দুর্গে ধস নামিয়েছে বিজেপি। ভোটে জয়লাভ করে এখন সরকার গঠনের পথে ভারতীয় জনতা পার্টি।
সরকার গঠন হয়নি এখনো, তার আগেই বিভৎস হত্যাকাণ্ড। বঙ্গবাসী হতভম্ব, শোকার্ত হয়ে পড়েছে এই ঘটনায়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে দাবি উঠছে।
কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়কের মর্মান্তিক পরিণতি। ‘পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক’ রেঞ্জ থেকে পরপর গুলি করে খুন করা হল চন্দ্রনাথ রথকে।
মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া মোড়েই এই ঘটনা ঘটে বলে জানান ব্যারাকপুরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তাঁর গাড়ির চালকও।
মধ্যমগ্রামের এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চন্দ্রনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। তারা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। পাশাপাশি দুষ্কৃতীদের খোঁজে একাধিক দল গঠন করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে অনুমান, পেশাদার শ্যুটাররা এই কাজ করে থাকতে পারে। এমনটাই জানিয়েছেন এক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক।
ঘটনার পর রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ডিজিপি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত এবং সিআরপিএফের ডিজি জ্ঞানেন্দ্র প্রতাপ সিং।
এক পুলিশ আধিকারিক জানান, ‘ইতিমধ্যেই গোটা ঘটানার বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। আমরা একাধিক সূত্র ধরে এগোচ্ছি।’
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ৪২ বছর বয়সী চন্দ্রনাথ কলকাতা থেকে মধ্যমগ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। সেই সময়ই তাঁর উপর হামলা হয়। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বুদ্ধদেব বেরা। তিনিও গুলিবিদ্ধ হন। বর্তমানে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।
শুভেন্দু অধিকারীর ছায়াসঙ্গী ছিলেন তিনি। অতীতে ভারতের সামরিক বাহিনীর অংশ ছিলেন এই চন্দ্রনাথ রথ। তিনি অবসরপ্রাপ্ত বায়ুসেনা কর্মী।
সামরিক বাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পরে ২০২১ সালে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়কর দায়িত্ব নেন।
